নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা পতনের পর শেয়ারবাজারে গত দুই কর্মদিবসে যে বড় ধরনের উত্থান দেখা দিয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ (১০ ডিসেম্বর) বিনিয়োগকারীদের মুনাফা বিক্রির চাপে দিনশেষে সূচক পড়ে গেছে। সোমবার থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত মিলিয়ে ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় ১২০ পয়েন্ট বেড়ে গেলেও দিনে শেষে তা ঘুরে দাঁড়িয়ে ২১ পয়েন্ট কমেছে। তবে সূচক কমলেও লেনদেনের অঙ্ক বেড়েছে, যা বাজার সংশ্লিষ্টদের কাছে ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে ওঠানামা স্বাভাবিক বিষয়। ধারাবাহিক উত্থানের পর কিছুটা সংশোধন বাজারকে ভারসাম্যে রাখতে সাহায্য করে। তাদের মতে, আজকের উত্থানে বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবেই মুনাফা তুলেছেন।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবস বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২১.০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৯৪১.৮৪ পয়েন্টে। অন্যদিকে ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ৭.৫০ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩১.৭২ পয়েন্টে নেমেছে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮.৬৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১,৮৯৯.১০ পয়েন্টে।
আজ ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১১৪টির দর বেড়েছে, ২২৭টির দর কমেছে এবং ৫৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
লেনদেনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যায়। আজ ডিএসইতে প্রায় ৫৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের ৪৫৮ কোটি ৩ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৭৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা আগের দিনের ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা লেনদেনের তুলনায় বেশি।
সিএসইতে আজ লেনদেন হওয়া ১৭৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৪টির দর বেড়েছে, ৬৮টির কমেছে এবং ২৬টির দর স্থির ছিল। সূচকের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধি লক্ষণীয়—সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৫৩.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩,৮৫১.০৬ পয়েন্টে। আগের দিন এই সূচক বাড়ে ৯৮.৬২ পয়েন্ট।

